মোঃমাসুদ আলম,
রাজশাহী ব্যুরো চীফ
বৃহস্পতিবার রাত ৯ঃ৩০ মিনিটে পাকড়ী ইউনিয়নে ঝড় বৃষ্টি শুরু হয়। প্রবল বাতাসে ৩ নং পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদ এর অনেক ঘর বাড়ি ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে। ঐই এলাকায়
৩নং পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদ এর মোশড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার টিনের চাল ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯ঃ৩০ মিনিটে প্রচন্ড বেগে বাতাস ও বৃষ্টি শুরু হয়। বাতাসের গতি বেগ আস্তে আস্তে বাড়তে থাকয় একপর্যায়ে স্কুলের চাল উড়ে যায়।
জানা গেছে, স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায়
মোশড়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি ২০০০ সালে স্থাপিত হয়ে ২০০৫ সালে পাঠদানের প্রাথমিক অনুমোদন লাভ করে এবং ২০০৮ সালে একাডেমিক স্বীকৃতি পায়।প্রতিষ্ঠানটি এখনো এমপিও ভুক্ত হযনি।মাদ্রাসার শিক্ষার্থী সংখ্যা প্রায় ২৭০ জন।২০০৭ সাল হতে অত্র প্রতিষ্ঠান হতে শিক্ষর্থীরা দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করছে এবং ফলাফল সন্তোষজনক। ২০২২ সালে ১৬ জন শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করবে।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার রাত্রে বয়ে যাওয়া ঝড়ে টিন-শেড ঘরের চাল উড়ে গেছে। এতে ৬ টি শ্রেণি কক্ষ ও অফিস কক্ষের টিনের চালা উড়ে যাওয়ায়় পাঠদানের পরিবেশ একেবারে নষ্ট হয়ে যায়।
শনিবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মাদ্রাসাটির টিন-শেডের তৈরি ঘরের চালা নেই। টিনের চালা ও বেড়ার অংশ পাশের ফাঁকা জায়গায় পড়ে় আছে।
ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্রী রিনা খাতুন দেশ চ্যানেলকে বলেন, দ্রুত মাদ্রাসাটির চাল ঠিক না করা হলে খোলা আকাশের নিচে ক্লাস করতে সমস্যার সৃষ্টি হবে।আমরা লেখা পড়ায় পিছিয়ে যাব।
গ্রামের বাসিন্দা ও এক শিক্ষার্থী অভিভাবক তোফাজ্জল হোসেন দৈনিক ভোরের আলোকে বলেন, গ্রামের মানুষের সহযোগিতায় গড়ে উঠা বিদ্যালয়ে ছোট ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করতো। কিন্ত ঝড়ে় ঘর ভেঙে গেছে। গ্রামের বেশিরভাগ মানুষই অস্বচ্ছল বলে অল্প সময়ের মধ্যে বিদ্যালয় মেরামতের টাকাও জোগাড় করা সম্ভব নয়।
মাদ্রাসা সুপার মাওঃ মোঃ শরিফুল ইসলাম(ভারপ্রাপ্ত) দৈনিক ভোরের আলোকে বলেন, ঝড়ে বিদ্যালয়ের চালা উড়ে যাওয়ার পরেই আমরা দিশেহারা। বিষয়টি উপজেলা শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। । ঘরগুলো মেরামতের জন্য কোন বরাদ্দ পেলে খুব দ্রুত মেরামত করা সম্ভব হত। খুব শিগগিরিই বিদ্যালয়ের মেরামত না হলে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।তাই প্রতিষ্ঠানটি মেরামতের জন্য উর্ধ্বতন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।