1. admin@deshchannel.com : admin :
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নগরকান্দায় কৃষকদের মাঝে মাসকলাই ও সার বিতরণ খুলনা জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বটিয়াঘাটা ও দাকোপের নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দিত পর্যটন স্পট!! ইবি ক্যারিয়ার ক্লাবের দিনব্যাপী উন্মুক্ত কর্মশালা মাহী-আজাহারের নেতৃত্বে ইবি ক্যারিয়ার ক্লাব হরিপুরের জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই-আব্দুল হামিদ লোহাগড়ায় কালের কণ্ঠ ‘শুভ সংঘ” এর উদ্যোগে দুঃস্থ নারীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ মাস্ক বিতরণ জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে বালক/বালিকা দল সাটুরিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে দৌলতপুর নগরকান্দায় রসুলপুর বাজারের সরকারি জায়গা দখল নিয়ে দোকান ঘর উত্তোলন দুর্গাপুরে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু খানসামায় ধানের বিস্তীর্ণ ফসলে মাঠ যেন সবুজের ছায়া
সংবাদ শিরোনাম :
নগরকান্দায় কৃষকদের মাঝে মাসকলাই ও সার বিতরণ খুলনা জেলা প্রশাসকের উদ্যোগে বটিয়াঘাটা ও দাকোপের নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠবে দৃষ্টিনন্দিত পর্যটন স্পট!! ইবি ক্যারিয়ার ক্লাবের দিনব্যাপী উন্মুক্ত কর্মশালা মাহী-আজাহারের নেতৃত্বে ইবি ক্যারিয়ার ক্লাব হরিপুরের জনগণের সেবক হয়ে কাজ করতে চাই-আব্দুল হামিদ লোহাগড়ায় কালের কণ্ঠ ‘শুভ সংঘ” এর উদ্যোগে দুঃস্থ নারীদের মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদানসহ মাস্ক বিতরণ জেলা পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টে বালক/বালিকা দল সাটুরিয়াকে হারিয়ে ফাইনালে দৌলতপুর নগরকান্দায় রসুলপুর বাজারের সরকারি জায়গা দখল নিয়ে দোকান ঘর উত্তোলন দুর্গাপুরে ৩ দিন ব্যাপী কৃষি মেলা শুরু খানসামায় ধানের বিস্তীর্ণ ফসলে মাঠ যেন সবুজের ছায়া

রাজশাহী বাঘায় গ্রীষ্মকালীন পেয়াজ চাষে ব্যস্ত কৃষক

  • আপডেট সময় : বুধবার, ২৪ আগস্ট, ২০২২
  • ৯৩ বার পঠিত

আবুল হাশেম
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি :

পেয়াজ সাধারণত শীতকালীন ফসল। ঢেমনা বা মুড়ি কাটা কিংবা কন্দ পেয়াজই সাধারণত আমাদের দেশে উৎপাদিত হয়। কিন্তু এই সমস্ত পেয়াজ দিয়ে দেশের মোট চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয় না বিধায় প্রতিবছর বিদেশ থেকে পেয়াজ আমদানি করতে হয়। ঘাটতির অজুহাতে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেটের মাধ্যমে প্রতিবছরই পেয়াজের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধি করে। সাধারণ জনগণের জন্য তা নাভিশ্বাস হয়ে উঠে। দেশে বার্ষিক পেয়াজের চাহিদা প্রায় ৩৫ লাখ টন, গতবছর উৎপাদিত হয় ৩২ লাখ টন।
এখনো ঘাটতি প্রায় ০৩ লাখ মেট্রিক টন। প্রচলিত শীতকালীন পেয়াজ দিয়ে সেই ঘাটতি মিটানো সম্ভব নয়, আবার অন্যান্য রবি ফসল কমিয়ে পেয়াজের এরিয়া বৃদ্ধি করাও সমীচীন হবে না। তাই, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রবির পরিবর্তে গ্রীষ্মকালে পেয়াজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। নাসিক এন-৫৩, বারি পেয়াজ-৫ জাতের পেয়াজগুলো সাধারণত গ্রীষ্মকালে হয়। জুলাই-আগস্ট মাসে চারা তৈরি করে ৩০-৩৫ দিন বয়সে আগস্টের শেষ থেকে সেপ্টেম্বর মাসের প্রথমার্ধে মূল জমিতে রোপণ করতে হয় এ জাতের পেয়াজগুলো। রোপণের ৬০-৭০ দিনের মধ্যেই পেয়াজ উত্তোলনের উপযুক্ত হয়। অর্থাৎ শীতকালীন পেয়াজ লাগানোর পূর্বেই এই পেয়াজ সংগ্রহ করা যায়। এই জাতের পেয়াজের ফলনও অনেক বেশি। উপযুক্ত পরিচর্যা করলে বিঘা প্রতি ২০০-৩০০ মণ পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। দেখতে অনেক বড়, লাল রঙের পেয়াজ এক একটির ওজন ২০০-৩০০ গ্রাম হয়।

পেয়াজের ঘাটতির কথা মাথা রেখেই রাজশাহীর বাঘা উপজেলায় চলছে গ্রীষ্মকালীন পেয়াজ রোপণের কর্মব্যস্ততা। স্থানীয় কৃষি অফিসের তদারকিতে অত্র উপজেলার ২২০ বিঘা জমিতে এই পেয়াজ চাষ হচ্ছে। বাঘা উপজেলার চর খানপুর, চকরাজাপুর,খায়েরহাট, মনিগ্রাম, আমোদপুর, হামিদকুড়া, হাবাসপুর, ভানুকর, চন্ডীপুর, রুস্তমপুর, পাকুড়িয়া, বাউশার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পলিথিন, নীল রং এর নেট, কলা পাতার ছাউনি ইত্যাদি দিয়ে গ্রীষ্মকালীন পেয়াজের বীজতলায় চারা তৈরি চলছে। অনেক জায়গায় রোপন শুরু হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের প্রতিটি কর্মকর্তা প্রতিদিন গিয়ে কৃষকদের পরামর্শ দিচ্ছেন।
বাঘা উপজেলার খানপুর চরে সোয়া দুই বিঘা জমিতে একসাথে ক্লাস্টারভিত্তিক পেয়াজের বীজতলা এলাকার কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সুলতানপুর, খানপুরে ২২ জন কৃষক সম্মিলিতভাবে কৃষি অফিসের পরামর্শে এই পেয়াজ চাষের এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। কৃষক গোলাম মোস্তফা জানান, আল্লাহর রহমতে চারা ভালো হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকলে এই পেয়াজের বাম্পার ফলন হবে আশা করি। কৃষক আব্দুস সালাম জানান, কৃষি অফিসের মাধ্যমে বীজ পেয়ে আমরা এই এলাকার ২২ জন কৃষক একসাথে বীজতলা করার সিদ্ধান্ত নিই। আল্লাহ সহায় থাকলে ফলন ভালো হলে আগামী বছর এই চরেই ২০০-৩০০ বিঘা প্রায় এই পেয়াজ হবে।
বাঘা উপজেলা কৃষি অফিসার শফিউল্লাহ সুলতান বলেন,
বাঘা উপজেলায় ২২০ বিঘা জমিতে ১৭৬০ মেট্রিক টন গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু অনাবৃষ্টি ও প্রচন্ড খরায় গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চারা উৎপাদন করা সত্যিই কঠিন ছিল। তবুও উপজেলা কৃষি অফিসারের কার্যালয়, বাঘার সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রাকৃতিক সকল প্রতিবন্ধকতাকে মোকাবেলা করে পিঁয়াজের চারা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছি। কিছু চারা জমিতে রোপণ করা শুরু হয়েছে এবং আগামী ১০ দিনের মধ্যেই বাকী চারা গুলো রোপণ করা সম্ভব হবে।
অতিরিক্ত কৃষি অফিসার কামরুল ইসলাম বলেন, পেয়াজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে গ্রীষ্মকালীন পেয়াজ সম্প্রসারণের বিকল্প নাই। তাছাড়া, এই পেয়াজ উৎপাদন করে কৃষক আর্থিক ভাবেও লাভবান হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© All rights reserved © 2022 © Desh Channel
Theme Customized By Shakil IT Park