মিডিয়া কর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার।

ইয়াছিন আলী ইমন
কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে গণমাধ্যম কর্মীদের সহযোগিতা চেয়েছেন কুড়িগ্রামে সদ্য যোগদানকৃত পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, আমি জেনেছি কুড়িগ্রাম জেলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। এখানকার মানুষ বন্ধুবৎসল ও আইন শৃঙ্খলার প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আমার প্রথম কাজ হবে সমাজের সকল পর্যায়ের স্টেক হোল্ডারদেরকে সাথে নিয়ে মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়ন করা। মাদককে কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।নবাগত এই পুলিশ সুপার বলেন, সন্ত্রাস, চোরাচালান ও আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটায় এমন কার্যক্রমকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রোধ করার চেষ্টা করব। এছাড়াও শহরের যানজট নিরসন এবং চরাঞ্চলে বসবাসরত মানুষের আইনি সেবা দিতে এবং আইন শৃঙ্খলা উন্নয়নে টহল জোরদার করণে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করা হবে।বুধবার (২৪ আগস্ট)পুলিশ সুপার হলরুমে জেলার প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সাথে পরিচয় ও মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি রাজু মোস্তাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক ফারুক, সিনিয়র সাংবাদিক বীরমুক্তিযোদ্ধা মো. শাহাবুদ্দিন, সফি খান, মমিনুল ইসলাম মঞ্জু, ছানালাল বকসী, শফিকুল ইসলাম বেবু, হুমায়ুন কবির সূর্য, একরামুল হক সম্রাট, মাহফুজার রহমান টিউটর, রেজাউল করিম রেজা, ইউসুফ আলমগীর, মিজানুর রহমান মিন্টু, শাহীন আহমেদ প্রমুখ মতবিনিময়কালে জেলার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, মাদক, চোরাচালান, সন্ত্রাস ও বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনা করা হয়।
নবাগত পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম আরও বলেন, রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ৫ম স্তম্ভ হলো গণমাধ্যম। সমাজে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে সাংবাদিকরা ব্যাপক ভূমিকা পালন করেন। আমরা মনে করি পুলিশ ও সাংবাদিক পরস্পরের পরিপূরক। আইন শৃঙ্খলা বিষয়ে কোন সমস্যা থাকলে প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা গেলে সেখানে সাংবাদিকদের ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে হবে। পুলিশ জনগণের সেবক হিসেবে মানুষকে সেবা দিবে অযথা কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয় সেটি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *