ভোলা পাসপোর্ট অফিসের উপর থেকে শুরু করে ঝারুদার কে দিতে হয় ঘুষ,,

হাফেজ মুহাঃওমর ফারুক, ভোলা সদর উপজেলা প্রতিনিধি,

ভোলা জেলা বিচ্ছিন্ন দ্বীপ মনপুরা থেকে একলোক এসেছে পাসপোর্ট করতে । সে পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার পর একজন লোক তাকে 205 নাম্বার রুমে বসে তার কাগজ পত্রে স্বাক্ষর করে। এবং তার কাছ থেকে ছয় হাজার টাকা চাই । তখন ভদ্রলোক টি তিন হাজার টাকা সাদলেন, কিন্তু সে টাকা না নিয়ে বললো, যদি ছয় হাজার টাকা না দেয় তাহলে কাজ হবেনা এ বলে সাক্ষর দেওয়ার পর তা কেটে ফেলে । পরে যানা যায় সে লোকটি একজন ঝারুদার ।
আমরা এ পাসপোর্ট অফিস থেকে প্রতিকার চাই এবং আমরা অনেক ভোগতেছি ।
আমি মনপুরা থেকে এসেছি প্রায় 3থেকে 4হাজার টাকা খরচ হয় এতো কষ্ট করে এসে যদি এতো ভোগান্তিতে ভোগতে তাহলে আমরা কি করবো ।
ভোলার মানুষ এ থেকে কবে মুক্তি পাবে,,

Leave a Reply

Your email address will not be published.