ইরফান শাড়ীজ কর্তৃক প্রতারণার শিকার দেশের অনলাইন প্রেমী হাজার হাজার গ্রাহকরা!!

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফ :

দেশের অন্যতম প্রতারক অনলাইন ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ইরফান শাড়ীজের প্রতারণার ফাঁদে অসংখ্য অনলাইন ক্রেতাগণ।
দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ইরফান শাড়িজ কর্তৃক প্রতারণার শিকার হওয়া গ্রাহকদের অভিযোগের ঝড় উঠেছে ফেসবুকের মাধ্যমে।

এই প্রতারক ইরফান শাড়ীজ প্রতিষ্ঠানটি রাজধানীর মিরপুর ১০ এর মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এর চতুর্থ তলার ঠিকানা ব্যবহার করে এই অনলাইন ব্যবসার নামে দেশের সাধারণ গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে কোটি টাকার উর্ধে কামিয়ে নিচ্ছে।
এই ইরফান শাড়ীজ কর্তৃক প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগী গ্রাহকরা ছবিতে দেখা পছন্দের পণ্য অর্ডার দিয়ে তার পরিবর্তে বাজে দুই নম্বরি পণ্য হাতে পেয়ে তাদের অভিযোগ করলে উল্টো আবার গ্রাহকদের হুমকি দেয়ায় এই প্রতারক মিরপুর মুক্তিযোদ্ধা মার্কেট এর চতুর্থ তলার ইরফান শাড়ীজের মালিক।

অভিযোগের সত্যতা প্রমাণ স্বরূপ খুলনার গণমাধ্যমকর্মী দেশ চ্যানেলও দৈনিক জাতীয় সত্যের সন্ধানের বিভাগীয় ব্যুরোচীফ বিপ্লব সাহা প্রতারণার শিকার হওয়ার পর নিজের পরিচয় দিলেও ইরফান শাড়ির মালিক বলে আপনি একজন সাংবাদিক। আপনি তো দেশের প্রধানমন্ত্রী না। আমাদের কাছে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে কোন লাভ নাই।

তাছাড়া অনলাইন ব্যবসায়ীদের প্রতারণার ফাঁদে পড়ে সর্ব শান্ত হচ্ছে সাধারন মানুষেরা। সারা দেশজুড়ে ব্যাঙের ছাতার ন্যায় অসংখ্য অনলাইনের ব্যবসা রমরমা আয়োজন করে গ্রাহকদের মনোরঞ্জনের দৃষ্টিনন্দিত ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে। কৌশলে গ্রাহকদের উন্নত মানের পণ্য সামগ্রীর ছবি দেখিয়ে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে যত সব বাজে দুই নাম্বারি পণ্য পাঠিয়ে কন্ডিশনের পেমেন্ট এর মাধ্যমে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিচ্ছে কোটি টাকা।

এমন অভিযোগ দেশের সর্বমহলের ভুক্তভোগী প্রতারিত গ্রাহকদের।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন এই অনলাইন প্রতারণার ব্যাপারে গণমাধ্যমে বারবার লেখালেখি ও প্রচার করা হলেও সতর্কতা হচ্ছে না এই প্রতারণা চক্র মহলটি।

এসকল প্রতারক অনলাইন অসাধু ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্য বাংলাদেশের অন্যতম অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে দারাজের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন বর্তমান এই ধরনের কতিপয় কিছু অসাধু প্রতারক চক্র ফেসবুকের পেজ এর মাধ্যমে প্রতারণা করার কারণে আমরা যারা দীর্ঘদিন সুনামের সাথে অনলাইনের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করে ব্যবসা চালিয়ে গ্রাহকদের সেবা করে আসছিলাম।
আজ এই অসাধু অনলাইন প্রতারকদের প্রতারণার কারণে আমাদের ব্যবসার উপরে ও দেশের সকল অনলাইন প্রেমিক ক্রেতাদের মন্দ ধারণা পরেছে।

তিনি আরো বলেন যে সকল অনলাইন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশ সরকারের অনলাইন ব্যবসায়ী ফেডারেশন এর অন্তর্ভুক্ত বাহিরে তাদের বিরুদ্ধে সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে এই সকল অসাধু প্রতারক বেনামী অনলাইন ব্যবসার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা অচিরেই না করলে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের সরল-সোজা লাখ গ্রাহক।

পাশাপাশি সরকারিভাবে আইন পাস করে সরকার অনিবন্ধিত প্রতারক চক্র অনলাইন ব্যবসায়ীদের পণ্য যেন কোন কুরিয়ার বা পার্সেল কোম্পানি বুকিং না নিতে পারে সেদিকে যথাযথ নজর দাড়ি রাখলে অনেকাংশে এসকল প্রতারকদের হাত থেকে রেহাই পাবে দেশের সাধারন অনলাইন ক্রেতারা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.