বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২৮ সেপ্টম্বর ৭৬ তম জন্মদিন!!

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফ :

২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা জেলা আওয়ামীলীগ তথা অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন গুলি বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করেছে।
কর্মসূচির প্রথম অংশ হিসেবে রয়েছে বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান মসজিদ মন্দির গির্জা ও উপাসনালয়ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে প্রার্থনা ও মোনাজাত করা হবে।
এবং নগরীর ৩১ টি ওয়ার্ডের দলীয় কার্যালয়ে কুরআনখানি মিলাদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়ার আয়োজন করা হবে।

বিকালে দলীয় কার্যালয় থেকে বর্ণাঢ্য র্্যালি বের হবে র্্যালিতে খুলনা সদর ও সোনাডাঙ্গা থানার সকল ওয়ার্ড মিছিল সহকারে অংশগ্রহণ করবে। খালিশপুর দৌলতপুর ও খানজাহান আলী থানা অনুরূপ কর্মসূচি পালন করবে। র্্যালি শেষে দলীয় কার্যালয়ে জন্মদিন উপলক্ষে দলীয় কার্যালয়ে ৭৬ পাউন্ডের কেক কাটা হবে কেক কাটা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

সকল কর্মসূচীতে মহানগর জেলা থানা আওয়ামী লীগ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং দলীয় কাউন্সিলরসহ দলের সকল স্তরের নেতা কর্মীকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য বিশেষভাবে জানিয়েছেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম ডি এ বাবুল রানা জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট সুজিত কুমার অধিকারী।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন উপলক্ষে খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক এক বিশেষ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের জীবনী বিষয়ে আলোচনার মধ্য দিয়ে বলেন।
লাখো-কোটি মানুষের প্রানের নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের যোগ্য উত্তরসূরি । বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের অহংকার। দেশ উন্নয়নের অগ্র পথিক আধুনিক বাংলার রুপকার দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প পদ্মাসেতু সহ অন্যান্য যে সকল বৃহৎ উন্নয়নমূলক কাজ বাংলার জনগণকে উপহার দিয়েছেন।
যার মাধ্যমে দেশের অসংখ্য পরিবারের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করার সুযোগ পেয়েছে।
এবং শহর থেকে গ্রাম প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত আলোর ঝলকে আলোকিত করতে সক্ষম হয়েছেন বিদ্যুৎ উন্নয়নের মাধ্যো দিয়ে।
শেখ হাসিনার উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি দেশের এমন কোন জায়গা খুঁজে পাওয়া যাবে না।

দেশের প্রান্ত থেকে প্রান্তরে যোগাযোগের ব্যবস্থা সড়ক ও জনপথ চলাচলের ক্ষেত্রে উন্নয়নের মাধ্যমে সকল বাধা-বিপত্তি ও বিরোধী পক্ষের সমালোচনাকে দু’পায়ে মাড়িয়ে নিরলসভাবে উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে ধরে রেখে আজ স্বাবলম্বি দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশকে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের স্বপ্নে গড়া দেশের উন্নয়নের প্রতীক হিসেবে আজও নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন শেখ হাসিনা ।
তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টে বঙ্গবন্ধু সহ স্ব পরিবার এবং দেশের বরেণ্য জ্ঞানী গুণী ব্যক্তিদের ঘাতকদের বুলেটের আঘাতে নির্মম ভাবে নিহত হতে হয়েছিল।

আর তখন যদি বঙ্গবন্ধুর ঔরসজাতক শেষ চিহ্ন শেখ হাসিনা এবং শেখ রেহানা যদি বাংলাদেশে অবস্থান করতো তাহলে আজ হয়তো আমরা এই উন্নয়নের স্বাদ গ্রহণ করতে পারতাম না।
এবং স্বাধীনতার স্বপক্ষের পতাকা আকাশে উড়ানোর সম্ভব হতো না।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি পরাশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধের বিনিময়ে লাখো শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের জন্ম হয়েছিল।
কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা বার বার স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির কাছে চক্ষুশূল হওয়ার কারণে মৃত্যুর পথযাত্রী হয়ে আজও পরম করুনাময়ের অশেষ রহমতে এবং দেশ ও জনগণের অকৃত্রিম ভালবাসা ও দোয়া থাকার জন্য তিনি বেঁচে আছেন বিধায় আজ আমরা তার ৭৬ তম জন্মদিন পালন করতে সক্ষম হচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আগামী ২৮ সেপ্টেম্বর বুধবার খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন গুলো বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালন করার আয়োজন করা হয়েছে।

এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৬ তম জন্মদিন পালনের মধ্য দিয়ে দেশের সকল অপসংস্কৃতি ও বিরোধীদলীয় অপ পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দুর্বার গতিতে এগিয়ে নিয়ে শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারাবাহিকতাকে ধরে রাখার লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীকে বিপুল ভোটে জয়ী করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবারও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলার জনগণের সুচিন্তিত রায়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে পুনরায় প্রধানমন্ত্রীর আসনে বসিয়ে দেশের আরও উন্নয়নের অগ্রগতি ধরে রাখা হবে ইনশাল্লাহ।

তিনি আরো বলেন আগামী
১ অক্টোবর থেকে হিন্দু ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষদের অন্যতম ধর্মীয় অনুষ্ঠান দুর্গাপূজা আরম্ভ হতে যাচ্ছে।
সে ক্ষেত্রে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দুদের এই দুর্গাপুজো অনুষ্ঠান সুষ্ঠুভাবে পালন করার ক্ষেত্রে সকল প্রশাসন মহলকে সজাগ দৃষ্টি রেখে কঠোর অবস্থানের মধ্য দিয়ে নজরদারি রাখার আহ্বান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *