রাজশাহীতে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২২ পালিত

মোঃমাসুদ আলম, রাজশাহী  ব্যুরো চীফ

আজ দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে কমিউনিটি পুলিশিং ডে-২০২২। প্রতিবছর অক্টোবর মাসের শেষ শনিবার জনগণকে সঙ্গে নিয়ে এ দিবসটি পালন করে থাকে বাংলাদেশ পুলিশ। এবারের প্রতিবাদ্য ‘‘কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মূলমন্ত্র, শান্তিশৃঙ্খলা সর্বত্র।” পুলিশের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি ও অপরাধ দমনের অন্যতম কৌশল হিসেবে কমিউনিটি পুলিশ বিশেষ ভূমিকা পালন করছে।

পুলিশ সদরদপ্তর জানিয়েছে, দেশের সব জেলা, মেট্রোপলিটন, রেলওয়ে, হাইওয়ে ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ ইউনিট স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিনটি পালন করবে। আজ সকালে দিনটি উপলক্ষ্যে মহানগরীর আলপট্টি মোড় থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও আনন্দ শোভাযাত্র বের করা হয়। র‌্যালীটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজশাহী কলেজে এসে শেষ হয়। র‍্যালিতে রাজশাহী মেট্টোপলিটন পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট অংশগ্রহণ করে।এরপর সকাল সাড়ে ১০ টায় রাজশাহী কলেজ অডিটোরিয়ামে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আরএমপি কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিকের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী মহানগর কমিউনিটি পুলিশিং সমন্বয় কমিটির আহ্বান প্রফেসর ড. আব্দুল খালেক, সাবেক মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপিকা জিন্নাতুন নেসা তালুকদার, র‌্যাব-৫ এর অধিনায়ক লে. কর্ণেল রিয়াজ শাহরিয়ার, রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক আজিজুল আলম বেন্টু, রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আব্দুল খালেকসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।
রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক বলেছেন, পুলিশই জনতা জনতাই পুলিশ এই মূলমন্ত্রের ভিত্তিতেই কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যক্রমের পরিচালিত হয়ে আসছে। পুলিশ নিজে একা জনগণের সেবা করতে পারে না তাই সকলকে নিয়ে কাজ করে যেতে চাই। কমিউনিটি পুলিশিং সেটাই করে যাচ্ছে।করোনা কালিন সময়ে আপনারা দেখেছেন আমার জনগণরের প্রতিটি দ্বারে দ্বারে অক্সিজেন সেবা পৌছে দিয়েছি, খাদ্যদ্রব্য পৌঁছে দিয়েছি।কমিউনিটি পুলিশের সাথে জনগণের সম্পৃক্ততা দৃঢ় হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, রাজশাহী সিটিকে মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান আজকে তিলোত্তমা নগরী হিসেবে গড়ে তুলেছেন। তার সহযোগিতায় এই সেবা কার্যক্রম আরো জোরালো ভূমিকা রাখে। রোগীদের জন্য বিনামূল্যে অক্সিজেন সরবরাহ করেছি। অপরাধ নির্মূলে মহানগরীতে ৫০০ সিসি ক্যামেরা স্থাপন করে অপরাধ কমাতে সক্ষম হয়েছি। সাইবার ক্রাইম ইউনিট গঠন করে সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।
মহানগরীতে যে ভাবে কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত শুরু হয়েছিলো সেগুলো নিয়ন্ত্রণ ও অভিভাবকদের ডেকে আমরা সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেছি। আগামীদিনে আমরা জনগণ ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণীপেশা ও সংগঠনের সাথে কাজ করে জনগণের সেবা করে যেতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *