খুলনা নাগরীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ।

বিপ্লব সাহা খুলনা ব্যুরো চীফ :

খুলনা সদর থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নাগরিক সমাজের আহ্বায়ক এ্যাডভোকেট মোঃ সাইফুল ইসলামের উদ্যোগে সারা দেশের উদ্বেগ জনক হারে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির কারণে ডেঙ্গু বিষয়ক জন সচেতনতা মূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের মাঝে স্বাস্থ্য বিভাগের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কর্তৃক ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতা মূলক পরামর্শর সকল দিক তুলে ধরে ডেঙ্গু সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে নগরীতে লিফলেট বিতরণ করেছেন।

লিফলেটটিতে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা প্রথমেই ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ সম্পর্কে তুলে ধরেছেন।

ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ :
উচ্চ মাত্রায় জ্বর প্রচন্ড মাথা ব্যথা মাংসপেশীতে ব্যথা চোখের পিছনে ব্যথা হাড়ে প্রচন্ড ব্যথা পেটে ব্যথা চামড়ায় লালচে দাগ চামড়ার নিচে রক্তক্ষরণ চোখে রক্ত জমাট বাধা শরীরে হামের মতো দানা দেখা দিতে পারে রক্তচাপ হ্রাস নারির গতি দ্রুত হওয়া ছটফট করা শরীর ঠান্ডা হয়ে যাওয়া শ্বাসকষ্ট বা অজ্ঞান হয়ে পড়া হেমোরেজিক ডেঙ্গু জ্বর ও ডেঙ্গু শক্ সিনড্রোম হলে দাঁতের মাড়ি নাক মুখ ও পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাত হতে পারে। খাবারে অরুচি এবং বমি বমি ভাব হতে পারে।

ডেঙ্গু জ্বরে করণীয় :
ডেঙ্গু জ্বর সম্পর্কে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন ডেঙ্গু জ্বর সাধারণত এমনিতেই সেরে যায়। তবে গিটের ব্যাথা কখনো কখনো দীর্ঘমেয়াদি হতে পারে। রোগীকে প্রচুর পরিমাণ তরল খাবার খাওয়াতে হবে। চামড়ার লালচে দাগ এমনিতেই সেরে যায়। গিটের ব্যথার জন্য গিটের উপরে ঠান্ডা শেক এবং হালকা ব্যায়াম উপকারী হতে পারে। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শক্রমে ডেঙ্গু জ্বরের পরীক্ষা করিয়ে নিন। এবং কোনক্রমে আতঙ্কিত না হয়ে নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

খুলনা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালক ডাক্তার মঞ্জুরুল মোর্শেদ সাধারণ জনগণদের উদ্দেশ্য করে বলেছেন সারাদেশে ডেঙ্গু রোগের প্রাদুর্ভব ছড়িয়ে পড়েছে। এ রোগ থেকে রক্ষা পেতে প্রয়োজন জনসচেতনতা এবং আমাদের পাশাপাশি সিটি কর্পোরেশনকেও এগিয়ে আসতে হবে রোগটি প্রতিহত করতে। তাই আমাদের উচিত এখন এই রোগ প্রতিরোধে তৎপর হওয়া। সর্বপ্রথম নগরবাসীদের অবশ্যই এই মশার বংশবিস্তার রোধকল্পে বিভিন্ন স্থান যেমন ফুলের টপ ছাদের উপর ভাঙ্গা চোড়া টিন বা যে কোন পাত্র বাড়ির আঙ্গিনায় অগভীর গর্ত টায়ার ডাবের খোসা নির্মাণ সামগ্রী এসির পানি ফ্রিজের পানি ইত্যাদি স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে নিয়মিত ড্রেন নর্দমা কচুরিপানা ইত্যাদি পরিষ্কার করতে হবে। এবং ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন এর মাধ্যমে ঔষধ ছরাতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *