নগরকান্দা উপজেলা পশু হাসপাতালে পশু চিকিৎসার নামেে কশাইগিরি

মিজানুর রহমান
নগরকান্দা (ফরিদপুর) প্রতিনিধি :

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলায় নগরকান্দা উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালে গবাদি পশু চিকিৎসার নামে চলছে কশাইগিরি। হাসপাতাল গুলোতে পর্যাপ্ত পরিমান জনবল থাকলেও কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছেনা।কারন প্রতিটি ইউনিয়নে বেসরকারী ট্রেনিংপ্রাপ্ত একাধিক গ্রাম্য পশু চিকিৎসক রয়েছে। এসকল পল্লী পশু চিকিৎসকরা গ্রামের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে গবাদি পশু চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।যে কারনে পশু হাসপাতালে গবাদি পশুর চিকিৎসার জন্য খামারিরা বা গবাদি পশু পালন কারিরা আসেনা।সরকার প্রতিবছর পর্যাপ্ত পরিমান ঔষধ বরাদ্দ দেয় হাসপাতাল গুলোতে। বেসরকারি ভাবে কয়েকদিন ট্রেনিং দিয়ে যারা গ্রামে সরকারি পশু ডাক্তার পরিচয়ে গবাদি পশু চিকিৎসা করে থাকেন ঠিক ত্দের কাছে অর্থের বিনিময়ে ঔষধ বিক্রি করে থাকেন বলে একাধিক সুত্রে জানা যায়। এছাড়া বিভিন্ন বাজারের গবাদি পশুর ঔষধ যারা বিক্রি করে তাদের কাছেও বিক্রি করার কথা শুনা যায়।তবে ভূইফোড় চিকিৎসকরা গবাদি পশুর চিকিৎসা করায় তাদের ভুল চিকিৎসায় গবাদি পশুর মৃত্যু থেকে শুরু করে প্রায়ই ঘটছে দূর্ঘটনা।যদিও কেউ রোগাক্রান্ত গবাদি পশু গরু, ছাগল নিয়ে পশু হাসপাতালে যায় চিকিৎসার নামে তাদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অভিযোগ রয়েছে। উপজেলার পশু হাসপাতালে একজন মাত্র পশু ডাক্তার (ইউ এল ও) রয়েছে। বেশিরভাগ সময় তিনি বিভিন্ন কাজে বাহিরে থাকেন।যে কারনে পল্টি টেকনিশিয়ান, ঘাস প্রজেক্ট, অফিসে কর্মরত এল,এম,এসরাই হাসপাতালে নেওয়া গবাদি পশুর চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।পশু ডাক্তার ছাড়া পশু চিকিৎসা করায় মৃতুর হার ভাড়ছে।খামারি ও গবাদি পশু পালনকারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ভুক্তভোগী উপজেলার ফুলসুতি ইউনিয়নের সলিথা গ্রামের মানিক মাতুব্বর কিছুদিন আগে তার একটি ছাগলের পা ভেঙে যাওয়ায় চিকিৎসার জন্য পশু হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং ঘাস প্রজেক্ট সালাউদ্দিন ছাগলের পা ব্যান্ডেজ করে তার কাছ থেকে ৫’শত টাকা নেয় এবং ব্যান্ডেজ খোলার পর সেদিন তার কাছ থেকে ১শত টাকা দাবি করলে মানিক মাতুব্বর ৫০ টাকা দিয়ে ছাগল নিয়ে বাড়িতে যায় এবং তার দুই দিন পরই ছাগল মারা যায় বলে মানিক মাতুব্বর জানান।সে আরও বলেন এবছর তার ছাগলের দাম ৭ হাজার টাকা ব্যপারীরা বলে গেছে।হাসপাতালে গরুর ঔষধ নিতে আসা মোকাদ্দেস বলেন প্রায় এক দেড়মাস ধরে আমার গরুর জন্য একটি ইনজেকশন নিতে বার বার এসে ঘুরছি আজও পাইনি, হাসপাতালের এতো ঔষধ কোথায় যায়।ঘাস প্রজেক্ট সালাউদ্দিন সংবাদকর্মীদের উপস্থিতি দেখতে পেরে আড়ালে লুকিয়ে পড়েন।সালাউদ্দিন কে খুজে না পাওয়ায় তার বক্তব্য জানা যায়নি। হাসনহাটি গ্রামের এক খামার মালিক বলেন আমরা পশু হাসপাতাল থেকে কোন সহযোগিতা পাইনা,খামারে থাকা গুরু কোন অসুবিধা হলে তার কাছে পরামর্শে জন্য যাই
ডাক্তারকে জানালে সে খামারে আসেন না এবং কোন ব্যবস্থা করেননা।ডাক্তার উল্টো বলেন অসুস্থ গরু নিয়ে হাসপাতালে আসেন।খামার মালিক বলেন আমাদের অনেক বড় বড় গরু ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার বেশি দামের গরু এতো ওজন ওলা গরু আমরা কিভাবে হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিব, গতবার ডাক্তার না তার গরুটি মারা যায় বলেও তিনি জানান।এবিষয় উপজেলা প্রানী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ তরুন কুমার রায় মুঠো ফোনে বলেন আমি নতুন এসেছি আপনি অফিসে একসময় আসেন বিষয়টি দেখবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *